শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের কীর্ণাহার থানার অন্তর্গত কীর্ণাহার হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নারায়ণ চন্দ্র মালের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার সন্ধ্যায় হাসপাতালের কোয়ার্টার থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর কীর্ণাহার থানার পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছয়।
খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন তাঁর ছেলে বিশ্বজিৎ মাল। কোয়ার্টারে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তাঁর বাবা নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। পরিবারের দাবি, নারায়ণ চন্দ্র মালের বয়স ৫৯ বছরের কিছু বেশি। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। সেই শারীরিক সমস্যার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে পরিবারের প্রাথমিক অনুমান। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
পুত্র বিশ্বজিৎ মালের অভিযোগ, হাসপাতালের তরফে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে তিনি নিজেই গাড়ি ভাড়া করে বাবার দেহ বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যান।
সরকারি কর্মী হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কীর্ণাহার থানার পুলিশ।
