শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের সদর সিউড়িতে তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের সামনেই একদল দুষ্কৃতীর ভাঙচুর ও হুমকির ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পার্টি অফিসের টেবিল-চেয়ার থেকে এসি ভাঙচুরের পাশাপাশ়ি অনুব্রতকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর তিনি বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও “আমি অভিষেককে পছন্দ করি না” বলে জল্পনা উসকে দেন।এই ঘটনার পরদিনই অর্থাৎ আজ ১ অক্টোবর বোলপুরে অনুব্রতের সঙ্গে দেখা করতে হাজির হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, অরূপ রায় ও অরূপ বিশ্বাস। বৈঠকে সিউড়ির ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে অনুব্রতের পাশে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত তাঁকে ‘বীরভূমের বাঘ’ ও ‘সবার নেতা’ বলে উল্লেখ করে বলেন, অন্য কেউ হলে পালিয়ে যেতেন কিংবা কান্নাকাটি করতেন। কড়া বার্তা দিয়ে তিনি জানান, আগামী ৯ অক্টোবর অনুব্রত ফের সিউড়ির সেই কার্যালয়ে যাবেন এবং তাঁকে কেউ আটকাতে পারবে না। আবার আক্রমণ হলে দলীয়ভাবে পরিকল্পনা নিয়ে জবাব দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভায় বিরোধীদের কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পষ্ট জানান, পার্টি অফিসেও মানুষের কথা বলার সুযোগ নিশ্চিত হবে। সব মিলিয়ে, সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাপ সামাল দিতে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই ভূমিকা বীরভূমে রাজনীতির পারদ আরও চড়িয়েছে।
