শম্ভুনাথ সেনঃ
পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএম বিশাল কাপুরের বীরভূমের বোলপুর শান্তিনিকেতন স্টেশন পরিদর্শনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিনের বকেয়া দাবিগুলি জোরালোভাবে তুলে ধরেন ‘আহমদপুর কাটোয়া রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন’। রবিবার, ২৫ অক্টোবর, বোলপুর স্টেশনে ডিআরএম-এর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সুবীর সেন, সৌভিক মণ্ডল, সদানন্দ দত্ত সহ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

বৈঠকে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রেলকর্তার সামনে তুলে ধরা হয়। প্রথমত, রামপুরহাট থেকে হাওড়া পর্যন্ত আহমদপুর, লাভপুর ও কাটোয়া হয়ে সকালে একটি ডাইরেক্ট ট্রেন বা এক্সপ্রেস চালুর দাবি জানানো হয়। দ্বিতীয়ত, লাভপুর হাসপাতাল সংলগ্ন রেলগেট, কীর্ণাহার ও গোপালপুর গ্রাম স্টেশনের আন্ডারপাসগুলিতে জমে থাকা জল ও বেহাল রাস্তার দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়। তৃতীয়ত, আহমদপুর স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে একটি নতুন ছোট প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। চতুর্থত, আহমদপুর জংশন স্টেশনে ‘মা তারা এক্সপ্রেস’, ‘কুলিক এক্সপ্রেস’ এবং ‘সাহেবগঞ্জ ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস’-এর স্টপেজ চালুর দাবি জানানো হয়।

প্রতিনিধি দলের সদস্য সুবীর সেন জানান, ডিআরএম তাদের প্রতিটি দাবি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন এবং রেলের স্টাফ সমস্যা মিটলেই খুব দ্রুত ডাইরেক্ট ট্রেনটি চালু করার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া, আন্ডারপাসের বেহাল দশার ছবি দেখে তিনি তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন করে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেন এবং প্ল্যাটফর্ম ও এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রেলের শীর্ষ আধিকারিকের এই ইতিবাচক আশ্বাসে আহমদপুর-কাটোয়া শাখার লক্ষাধিক নিত্যযাত্রী দীর্ঘদিনের পরিবহন যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশায় বুক বাঁধেছেন।
