শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের ইলামবাজারের বিখ্যাত ‘বনলক্ষ্মী’ রিসোর্টে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আকস্মিক অভিযানে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। অন্দরে তৈরি আচার ও কাঁচামাল সংরক্ষণের ড্রামে মিলেছে চাপ চাপ ফাঙ্গাস। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কয়েক কুইন্টাল সামগ্রী রাখার দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আধিকারিকরা। কর্মীরা ৩০ বছরের পুরনো পদ্ধতির দোহাই দিলেও তা মানেননি খাদ্য সুরক্ষা অফিসার সঞ্জুয়ারা খাতুন। স্পষ্ট জানান, ফাঙ্গাস যুক্ত খাবার খেলে মারাত্মক ফুড পয়জনিং হতে পারে। অবিলম্বে সমস্ত দূষিত আচার ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে বনলক্ষ্মীর অন্যতম কর্ণধার দিয়া বিশ্বাস পাল, দায় এড়িয়ে দাবি করেন, আচার ইউনিটটি পরিবারের অন্য সদস্যের এবং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিবাদ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—একই নামের ওপর ভরসা রেখে সাধারণ মানুষ যদি খাবার কেনেন, তবে পারিবারিক বিবাদের মাসুল কেন তাঁদের দিতে হবে? মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারও নেই।
