শম্ভুনাথ সেনঃ
৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে বীরভূমের সদর সিউড়ির তৃণমূল কার্যালয়ে এক নজিরবিহীন তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে। তিন যুবক কার্যালয়ে ঢুকে অনুব্রত মণ্ডলকে চেয়ারে বসিয়ে রেখে আসবাবপত্র ও বাতানুকূল যন্ত্র ভাঙচুর করে এবং অনুব্রতের পাঞ্জাবির কলার ধরে হুমকি দেয়। এ সময় ভাঙা কাঁচ ছিটকে তাঁর মুখে লাগলেও, অনুব্রতকে স্মিত হেসে আক্রমণকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। অভিযুক্ত যুবক—আকাশ দেবনাথ, বান্টি বীরবংশী ও ঋষভ গৌর— নিজেদের সাধারণ নাগরিক দাবি করে জানান, অনুব্রতের দাপটে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ।
ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত এসে ওই তিন যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল কিংবা তাঁর দল—ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল’—এর পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের না করায় এবং পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা না করায় রাতেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের মতে, যুবকেরা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। জনরোষ থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের দাবি।
ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে ‘বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের কাজ’ বলে তোপ দাগেন, অন্যদিকে কাজল শেখ একে ‘সাজানো’ বলে কটাক্ষ করেন। কুণাল ঘোষ ও বিজেপির ধ্রুব সাহা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
