
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী অবৈধ বালি কয়লা পাচার রোধে পুলিশ সক্রিয় হয়ে উঠতেই পুলিশের জালে আটকা পড়ছে পাচারকারীরা। সেরূপ বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত একটানা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ অভিযান চালানো হয় ডিএসপি ডিইবি স্বপন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে। ফলস্বরূপ সিউড়ি থানা এলাকার রাজার পুকুরের কাছে মুর্শিদাবাদগামী একটি বালি বোঝাই ডাম্পার আটক হয়। যেটা রাজনগর থানার জয়পুর অবৈধ বালি ঘাট থেকে বালি সংগ্রহ করে ভিন জেলায় পাচারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পরবর্তীতে মহম্মদবাজার থানার টাংসুলি জঙ্গলের মধ্যে মালদহ জেলাগামী ১৬ চাকার বালি বোঝাই অপর একটি গাড়ি ধরা পড়ে। মহম্মদবাজার থানা এলাকার ৩টি অবৈধ বালি ঘাট থেকে বালি উত্তোলন করা হয় বলে পুলিশ জানতে পারে। উভয় চালকই কোনও ই-চালান জমা দিতে ব্যর্থ হন।

সেই অনুযায়ী, উভয় চালক এবং তাদের সহকারী মিলিয়ে মোট চার জনকে গ্রেপ্তার করে। পরিশেষে চালক এবং সহকারী সহ বালি বোঝাই যানবাহনগুলো সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করে এবং নির্দিষ্ট ধারায় মামলা শুরুর নির্দেশ দেন বলে সূত্রের খবর। বৃহস্পতিবার ভোর নাগাদ একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিউড়ি কর্মতীর্থ ভবন সংলগ্ন ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে অভিযান চালানোর সময় পুলিশ তীব্র ধাওয়া করে সিউড়ি গামী কয়লা বোঝাই একটি মোটরসাইকেল সহ বাইক আরোহীকে আটক করে। পুলিশের জেরার মুখে ধৃত ব্যাক্তি দুবরাজপুর থানার গোপালপুরের বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন খাঁ (২৯) স্বীকার করে যে লোকপুর থানার পাশ থেকে প্রায় ছয় কুইন্টাল অবৈধ কয়লা সংগ্রহ করেছিল। উক্ত কয়লা সিউড়ি থানার বাঁশঝোর গ্রাম সংলগ্ন ইটভাটায় পরিবহন করা হচ্ছিল। কয়লা বোঝাই মোটরসাইকেল সহ ধৃতকে সিউড়ি থানায় হস্তান্তর করে এবং নির্দিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

