
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
সপ্তম শ্রেণীর ১৩ বছর বয়সী আদিবাসী এক নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি আদিবাসী সংগঠন। টুকরো টুকরো অবস্থায় কয়েক খন্ড ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হলেও সম্পূর্ণ দেহাবশেষ উদ্ধার হয়নি। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজন। ঘটনার পর থেকেই খুনি শিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে নিয়মিত রামপুরহাট শহরের মধ্যে চলছে ধিক্কার মিছিল ও ডেপুটেশন। অনুরূপ শুক্রবার ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহলের পক্ষ থেকে রামপুরহাট শহরজুড়ে একটি ধিক্কার মিছিল সংগঠিত হয়। এদিন বীরভূমের রামপুরহাট রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত ময়দানে জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ মিছিল সামিল হয়। মিছিলটির গতিপথ ছিল রামপুরহাট থানা ও এসডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায়। মিছিল শেষে রামপুরহাট এসডিপিও অফিসে একটি স্মারক লিপি জমা দেন ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহলের পক্ষ থেকে। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে আদিবাসী এক নাবালিকা ছাত্রীকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে তারজন্য অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক মনোজ পালকে অবিলম্বে ফাঁসির সাজা দিতে হবে। পাশাপাশি ঘটনার প্রথমার্ধে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন সেই পুলিশ অফিসারকে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। এইসব দাবির প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ মিছিল ও এসডিও অফিসে ডেপুটেশন প্রদান বলে সংগঠন সূত্রে জানা যায়।

পাশাপাশি এদিন বীরভূম সফরে আসেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা ডক্টর অর্চনা মজুমদার। শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে খুন হয়ে যাওয়া নাবালিকা ছাত্রীর পরিবারের সাথে দেখা করেন। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তরা যাতে দ্রুত শাস্তি পায় সে বিষয়েও আশ্বস্ত করেন পরিবারের লোকজনদের। এমনকি সেই নাবালিকার পরিবারের লোকজনদের পাশে থাকা সহ সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন।

