জয়েনিং লেটার পাওয়ার পরও নিয়োগে বাধা, ন্যায় বিচারের দাবিতে বীরভূম জেলা সমাহর্তার নিকট আবেদন

শম্ভুনাথ সেনঃ

আশা কর্মী হিসেবে বীরভূমের বোলপুরের বাহিনী পাঁচশোয়া অঞ্চলে নিয়োগ হয়েছিলেন মিনতি পাল মণ্ডল। সিলেকশনের পর তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জয়েনিং ও এনগেজমেন্ট লেটার প্রদান করে। সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও তিনি কাজ করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন।
তার দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যিনি তার প্রতিযোগী ছিলেন, সম্ভবত তিনিই আপত্তি জানিয়েছেন। আর সেই আপত্তির কারণেই তাকে ‘হোল্ড’ করে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিনতি দেবী। ফলে তাকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়নি। ইতিমধ্যেই ট্রেনিং শুরু হয়ে গেলেও তার কাছে কোনো নোটিস বা তথ্য পৌঁছায়নি।
তিনি অভিযোগ জানান, “জয়েনিং লেটার দেওয়ার পরও যদি কাজেই না নেবে, তাহলে কেন তাকে জয়েন করানো হলো? আমার এলাকার মানুষ, আত্মীয়-স্বজন সবাই জেনে গেছে যে আমি কাজটা পেয়েছি। এখন যদি কাজটা না পাই, তাহলে মান-সম্মান কোথায় থাকবে? সরকার ভুল করলে তার দায় কি আমি নেব?” বীরভূমের বোলপুর থানার অন্তর্গত বড়শিমুলিয়া সেন্টারের এই কর্মী গত মঙ্গলবার, বীরভূম জেলাশাসকের দপ্তরে অভিযোগ জানাতে যান। তবে ডিএম সাহেব উপস্থিত না থাকায় তার সঙ্গে দেখা হয়নি। তিনি দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনিক দপ্তর থেকে সেদিন কোনো সুরাহা না পেয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিনতি পাল মণ্ডল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *