
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
দীর্ঘদিন ধরে চলছে এস আই আর সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজকর্ম। বিএলও কর্তৃক বাড়ি বাড়ি ফর্ম বিতরণ। পূরনের পর ফর্ম সংগ্রহ। পোর্টালে আপলোড ইত্যাদি ইত্যাদি। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম নেই, তাদেরকে নো ম্যাপিং এর আওতায় রাখা হয়েছে। তাদেরকে মূলত ২৭ ডিসেম্বর শনিবার থেকে ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী ব্লকের মধ্যে অবস্থিত এস আই আর শুনানি শিবিরে ডাকা শুরু হয়েছে। মূলত: যাদের ভোটার তালিকায় নামের গরমিল রয়েছে এমন সব ব্যক্তিদের শুনানির জন্য ডাকা হল।

আগামী এক মাস ধরে এই শুনানি পর্ব চলবে। পঞ্চায়েত ভিত্তিক খয়রাশোল ব্লক চত্বরে চারটি এবং ইরিগেসন কলোনির মাঠে ছয়টি শিবির খোলা হয়েছে। প্রথম দিন হিসেবে দশটি শিবিরে মোট ১০০ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। উল্লেখ্য খয়রাসোল ব্লক এলাকায় দশ হাজারের উপর নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। শুনানি শিবিরে বয়স্কদের পাশাপাশি কেন্দ্র গড়ে পঞ্চায়েতের চুড়র কলোনির বর্ণালি দাস তার সদ্যজাত শিশুকে কোলে নিয়ে এস আই আর শুনানি শিবিরে লাইনে দেখা যায়। নাম বাদ পড়ে যাওয়ার আতঙ্কে মূলতঃ এদিন বিভিন্ন তথ্যাদি নিয়ে শিবিরে হাজির হয় বলে জানা যায়।

অন্যদিকে রাজনগর ব্লক অফিসের রাজীব গান্ধী সেবা কেন্দ্রে এই সব ভোটারদের শুনানি পর্ব শুরু হলো। বুধবার রাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত ১৭ নম্বর এবং ৩৭ নম্বর বুথের এসব ব্যক্তিদের শনিবার শুনানি হল। প্রতিদিনই দুই-তিনটি বুথের এমন সব নির্বাচকদের শুনানি করা হবে। রাজনগর ব্লকের মধ্যে ম্যাপিং করা যায় নি, এমন নির্বাচকদের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার মত রয়েছে, যাদের প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করতে হবে বলে জানিয়েছেন রাজনগরের বিডিও শুভাশিস চক্রবর্তী। এদিন বিডিও ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মাইক্রো অবজারভার অভিক পাল ও রাজ কুমার বর্মা, জয়েন্ট বিডিও কাসিদ হুসেইন, FPO ডক্টর ঐশী দাস সহ অন্যান্যরা।
