
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
নানা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়।সেই মোতাবেক গতকাল ৮ ই জুলাই ভোট পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ভোট নিয়ে প্রহসন, ছাপ্পা ভোট এবং সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয়ে ওঠে শাসক বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। জেলার মধ্যে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে পুনঃ নির্বাচনের ও দাবি তোলা হয়েছে। জেলার অধিকাংশ জায়গায় শাসক তৃনমূল কংগ্রেসের গোঁজ প্রার্থী হিসেবে তৃনমূল কংগ্রেসের টিকিট না পেয়ে বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীরা প্রার্থী দিয়ে ভোট ময়দানে অবতীর্ণ হয়। এজন্য বীরভূম জেলা তৃনমূল কংগ্রেস কোর কমিটির পক্ষ থেকে দুই দফায় মোট ২৪ জনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করেন। এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট না হওয়ায় বিভিন্ন বুথে ক্ষোভ বিক্ষোভের ছবি ফুটে ওঠে। যদিও ভোট পর্ব সমাধান হয় কিন্তু ব্যালট বাক্স সীল করে গননা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে রাজ্য পুলিশ নয় কেন্দ্রীয় বাহিনী মারফত নিয়ে যাবার দাবি করা হয় খয়রাসোল ব্লকের পার্শুন্ডী এলাকায় একটি বুথে। এনিয়ে পুলিশ জনতার মধ্যে দেখা দেয় গন্ডগোল। অনুরূপ রাজ্য পুলিশ সহ সীল করা ব্যালট বাক্স নিয়ে যাবার সময় নির্দল প্রার্থীর দুই সমর্থকও গননা কেন্দ্র পর্যন্ত পাহারা দিয়ে পৌঁছতেই গিয়ে ঘটে জীবনহানি। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাইকর থানার কাশিমনগর গ্রামের কাছে। মৃতদের নাম সবুর সেখ ও রহমত সেখ।জানা যায় মুরারই বিধানসভার মিত্রপুর গ্রাম থেকে ভোট শেষে একটি গাড়ীতে করে ব্যালট বাক্স নিয়ে ভোট কর্মীরা আরসি সেন্টারের উদ্দ্যেশ্যে যাচ্ছিল। রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে সেই গাড়ী পাহারা দেওয়ার জন্য গাড়ীর পিছন পিছন মোটর সাইকেলে করে সবুর সেখ ও রহমত সেখ যাচ্ছিল। সেই সময় একটি গাড়ী তাদের দুজনকে চাপা দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের। খবর পেয়ে পাইকর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে। তবে ঘাতক গাড়িটির হদিশ পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পাইকর থানার পুলিশ।