অবশেষে ডিএনএ রিপোর্টে সনাক্ত হলো নানুরে পচাগলা মৃতদেহটি নিখোঁজ ছাত্রী দিশা মণ্ডলের

শম্ভুনাথ সেনঃ

মাস খানেক আগে বীরভূমের নানুর ব্লকের পাপুড়ি গ্রাম সংলগ্ন মাঠের মধ্যে উদ্ধার হওয়া পচাগলা মৃতদেহটি ছাত্রী দিশা মন্ডলের। বীরভূমের রামপুরহাট গভঃ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে DNAপরীক্ষায় সেই রিপোর্ট মিলেছে। উল্লেখ্য, গত১৯ জুলাই নানুরের খালা গ্রাম থেকে চারকলগ্রামে টিউশন পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী। ২১ জুলাই পরিবারের সদস্যরা নানুর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ২৫ জুলাই নানুরের পাপুড়ি গ্রাম সংলগ্ন মাঠের থেকে একটি পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। দেহটি নিয়ে পুলিশ ধন্দে পড়ে যে মৃতদেহটি ওই নিখোঁজ নাবালিকার কিনা! কারণ মৃতদেহটি সনাক্ত করতে পারেনি নিখোঁজ নাবালিকা’র পরিবার। উল্লেখ্য, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে রাজনৈতিক সরগোল পড়ে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব’রা এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানান। তাই মৃত দেহের সঠিক তদন্ত নিয়ে আদালতের নির্দেশক্রমে ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ওই পরীক্ষার রিপোর্ট আসতেই মৃতদেহটি নিখোঁজ ছাত্রীর বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। গতকাল ২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ নানুর থানার পক্ষ থেকে পরিবারের হাতে মৃত দেহটি তুলে দেওয়া হয়। বাড়িতে দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মৃতের মা টিয়া মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সব জানা সত্ত্বেও আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছে। আমার মেয়ে কিছুতেই আত্মহত্যা করতে পারে না। থানায় নিখোঁজের অভিযোগ করার পর মেয়েকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন তেমনভাবে সাহায্য করেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *