
শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের বোলপুর পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় চোরাই সক্রিয় চক্রের হদিশ মিলল। আজ ১০ নভেম্বর, সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে সে কথায় জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বোলপুর) রানা মুখোপাধ্যায়। গত দেড় মাসে নয়টি চুরির মামলায় উদ্ধার হওয়া সোনার গয়না, কাঁসার বাসনপত্রের পরিসংখ্যান সাংবাদিকদের মুখোমুখি তুলে ধরেন। বোলপুর, শান্তিনিকেতন ও ইলামবাজার থানার যৌথ তৎপরতায় এই সাফল্য মিলেছে বলে তিনি জানান। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোলপুরের এসডিপিও রিকি আগরওয়াল-সহ শান্তিনিকেতন ও ইলামবাজার থানার ওসি, বোলপুর থানার আইসি ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা৷ এই তিনটি থানা এলাকায় গত দেড় মাসে ১২টি চুরির ঘটনা ঘটে। তার মধ্যে পুলিশি তৎপরতায় ৯ টিতেই সাফল্য মিলেছে। চুরি যাওয়া সামগ্রীর অন্তত ৭০-৭৫ শতাংশ উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত ১৪ জনকে। পাশাপাশি, ভরি ভরি সোনার গয়না যেমন উদ্ধার করা হয়েছে তেমনি ইলামবাজারের একটি মন্দিরে চুরি যাওয়া কাঁসা-পিতলের বাসনপত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার রানা মুখোপাধ্যায় উল্লেখ করেন। বোলপুর শহরে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চোরাই গয়না কিনে ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান ৷ তবে তদন্তের স্বার্থে দোকান এবং ব্যবসায়ীদের নাম তিনি এখনই উল্লেখ করতে চাননি।
