
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
এস আই আর এর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পর এডজুডিকেশন স্ট্যাম্প তথা নাম বিচারাধীন বলে তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার মধ্যে থেকে আবার কিছু নাম বাতিল ঘোষণা হতেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষজন। এরূপ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় প্রতিবাদে গর্জে ওঠে গ্রামবাসী এমনকি ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দেন। জানা যায় যে, রাজনগর ব্লকের কুড়ি নাম্বার বুথে প্রায় ১৯০ জনের নাম বিচারাধীন পর্যায়ে ছিল। এর মধ্যে একজন প্রায় ১০০ বছর বয়সী এক মহিলা সহ ১০৩ জনের নাম বাদ যায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ২৫ মার্চ বুধবার ক্ষোভে ফেটে পড়ে গ্রামবাসীরা। তারপর গ্রামে মাইকিং করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে ভোট বয়কটের হুমকি দেন। গ্রামের বাসিন্দা জয়গুন বিবি জানান তাঁর বয়স ১০০ হতে চলল, এতদিন ধরে ভোট দিয়ে এসেছি অথচ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যাদের নাম বাদ গেছে সেরূপ রহিম খান, মহম্মদ ওয়েস কর্ণি, সাজেদা বিবি, আমীর সেখ সহ অন্যান্যরা জানান আমরা সবকিছু প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছি, তা সত্ত্বেও কেন বাদ দেওয়া হয়েছে? নির্বাচন কমিশন এটা ইচ্ছে করেই করেছে। আফরোজা বিবি জানান তাঁর স্বামীর নাম বাদ যায়নি তারও যায়নি। অথচ তাঁদের ছেলের নাম বাদ গেছে। এটা কি করে হয়? ছেলে যদি ভোটাধিকার হারায় তাহলে আমরাও ভোট দিতে যাবো না। সেখ সফি আহম্মেদ, সাদেক খানরা বলেন, আমাদের নাম বাদ যায়নি, কিন্তু হেয়ারিং এর সময় গ্রামবাসীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন তা সত্ত্বেও তাদের নাম বাদ গেছে, তাই আমরা গ্রামবাসীরা সকলে মিলে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। অবশ্য ভোটের আগে তাদের নাম যদি পুনরায় বিবেচনা করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তখন ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত বাতিল করবো, অন্যথায় সিদ্ধান্ত অটুট থাকবে বলে হুঁশিয়ারি গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে।

