নয়াপ্রজন্ম প্রতিবেদনঃ
প্রদত্ত বাজেট বক্তৃতা থেকে বীরভূম জেলা (বীরভূমের অন্তর্গত বিভিন্ন অঞ্চল যেমন সিউড়ি, সাঁইথিয়া, বক্রেশ্বর, তারাপীঠ ইত্যাদি) সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:
- ময়ূরাক্ষী নদীর উপর চার লেনের সেতু: বীরভূম জেলায় ৮০০ কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয়ে Right Bank Main Canal (RBMC) ও Left Bank Main Canal (LBMC)-র উপর চার লেনের ব্রিজ-সহ NH-14-এ ময়ূরাক্ষী নদীর উপর একটি চার লেনবিশিষ্ট ব্রিজ নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হবে।
- ডিফেন্স ম্যানুফ্যাক্চারিং হাব: পশ্চিমবঙ্গকে গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে জুড়তে বীরভূমের সাঁইথিয়া শিল্প পার্কে একটি ‘ডিফেন্স ম্যানুফ্যাক্চারিং হাব’ গড়ে তোলা হবে।
- মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল: সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে উন্নীত করা হবে।

- মেগা ফ্লোটিং সোলার প্রকল্প: বক্রেশ্বরে আনুমানিক মোট ২,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে Battery Energy Storage System (BESS) সমন্বিত একটি মেগা ফ্লোটিং সোলার ফোটোভোল্টায়িক প্রকল্প স্থাপন করা হবে।
- বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট: ধর্মীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করতে বীরভূমের বিখ্যাত শক্তিপীঠ ও মন্দিরগুলি—যেমন তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, ফুল্লরা, কঙ্কালীতলা এবং নন্দীকেশ্বরী মন্দিরকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ট্যুরিজম সার্কিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।





- পশ্চিমাঞ্চল এলাকার উন্নয়ন: বীরভূম জেলাকে পশ্চিমাঞ্চল এলাকার (বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম) অন্তর্ভুক্ত করে ল্যাটেরাইট মাটির কারণে তৈরি খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভূগর্ভস্থ ও ভূপৃষ্ঠস্থ জলনির্ভর মাইক্রো-সেচ ব্যবস্থার প্রসার ঘটানো হবে। এছাড়া এই অঞ্চলের শুষ্ক জলবায়ুকে কাজে লাগিয়ে পশুপালন, দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং শ্বেত-বিপ্লব আনার জন্য কো-অপারেটিভ সোসাইটি তৈরিতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
