
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এক সভা থেকে বীরভূমের প্রতি একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন। বীরভূম জেলায় সবচেয়ে বেশি অবৈধ বালিঘাট চলছে। সেই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন কড়া নজরদারি এবং অভিযান চালাতে থাকেন। মঙ্গলবার সকালে খয়রাশোল ব্লকের পারশুন্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জামালপুরে বালিঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। বোমার আঘাতে সেখ সাত্তার আলি(৪৫) নামে এক তৃণমূলকমীর একটা পা উড়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিন অজয় নদী ঘাট এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। মুড়ি মুড়কির মতো ফাটে বোমা। জামালপুর গ্রামের বিবাদমান দুই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে বালির বখরা নিয়ে মূলতঃ ঝামেলা বলে খবর। দুই গোষ্ঠীর লোকজন তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক। সেই প্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে চলা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ন্যায় এখানেও লেগেছে ছোঁয়া বলে অনেকের অভিমত। যার ফলে দীর্ঘ কয়েক বছর পর খয়রাসোল এলাকা ফের উত্তপ্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর সোমবার থেকে বালির ট্রাকগুলো আটকে রাখে একপক্ষ। এনিয়ে ঝামেলার আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় থানার পুলিশ হস্তক্ষেপ না করার জন্য এইরূপ ঘটনা ঘটে বলে এলাকার মানুষের বক্তব্য। দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, “বিধানসভায় অবৈধ বালি বন্ধের জন্য বলা হলেও সরকার কর্নপাত করেনি। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসনের উচিত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি দেওয়া, পাশাপাশি অবৈধ বালি চালান বন্ধ করা।