
উত্তম মণ্ডলঃ
হিন্দুশাস্ত্রমতে শিবরাত্রির আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। দেবাদিদেব শিব ও পার্বতী দেবীকে ঘিরে এই বিশেষ তিথি পালিত হয়। আর এই শিবরাত্রি ফাল্গুনের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি যখন থেকে চতুর্দশী তিথি পড়ছে, তখন থেকেই শিবরাত্রির পুজো করতে পারেন। যদিও সেটি প্রদোষ ব্রতের ত্রয়োদশী তিথি। এই তিথিও দেবাদিদেব মহাদেবের তিথি। মনে করা হয়, ভগবান শিবের অত্যন্ত প্রিয় ফুল ও গাছ হল আকন্দ। শুভ কোনও অনুষ্ঠানে ও শিবের পুজোয় আকন্দ ফুল লাগবেই। এছাড়াও মহাদেবকে অপরাজিতা ফুল দিয়ে পুজো করা হয়। হলুদ চাঁপা ফুলেও শিবের আরাধনা হয়। এছাড়াও ধুতরো ফুল, কলকে ফুল দিয়েও পুজো করা হয় শিবকে। শিবপুরাণ অনুসারে আদি শক্তির অনন্ত আধার মহাদেব। শাক্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধান আরাধ্য তিনি। শাস্ত্রমতে মহাদেবের আরাধনার শ্রেষ্ঠ দিন মহা শিবরাত্রি। বিশ্বাস, এ দিন উপোস করে ভক্তিভরে পুজো করলে সন্তুষ্ট হন শিব। ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন তিনি। কথিত আছে, এদিন সঠিক নিয়ম মেনে কুমারীরা যদি ব্রত পালন করেন তাহলে শিবের মতো জীবনসঙ্গী পান তাঁরা। প্রতিটি জায়গার মতো বীরভূমের বক্রেশ্বরেও দেখা গেল ভক্তদের ঢল। পূজা দিতে আসা ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় জমিয়েছেন। বীরভূমের বক্রেশ্বরের পুরোহিত থেকে শুরু করে সেবাইতরা ব্যস্ত পুজোয়। মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় করেছেন বীরভূমের বক্রেশ্বরে।