
শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের দুবরাজপুর রেল সেতুর দু’ধারে রেলের জায়গায় যেসব অস্থায়ী দোকান আছে সেগুলি সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের আগেই নোটিশ ধরিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় জীবন জীবিকা নিয়ে চিন্তিত গুমটির মালিক থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। কদিন ধরেই লোহার রেলিং দিয়ে ঘিরতে শুরু করেছে রেল দপ্তর। এর ফলে রেল সেতুর পাশ দিয়ে দুর্গাপুজোর দোলা বিসর্জনের ঠাকরুন বাঁধ পুকুরটি যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। দুবরাজপুর শহরের বেশ অনেকগুলি প্রতিমার নবপত্রিকার ঘট আনয়ন এবং বিসর্জনের জন্য এই পুকুর ব্যবহৃত হয়। যাতায়াত বন্ধ হওয়ায় চিন্তিত দুর্গাপুজো কমিটির উদ্যোক্তা থেকে শহরবাসী। যাতে রাস্তা বন্ধ না হয় সেজন্য গতকাল ২ নভেম্বর দুবরাজপুর শহর তৃণমূল কমিটি এবং সাধারণ মানুষজন এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে সামিল হয়। উপস্থিত ছিলেন শহর সভাপতি স্বরূপ আচার্য, তৃণমূল নেতৃত্ব মলয় মুখোপাধ্যায়, পুরসভার পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে, উপ পুরপ্রধান মির্জা শওকত আলী, কাউন্সিলার মানিক মুখোপাধ্যায়, সাগর কুণ্ডু প্রমুখ। তাদের দাবি হিন্দুদের ব্যবহৃত এই পুকুর রেল কর্তৃপক্ষকে বন্ধ করতে দেব না। এই মর্মে দুবরাজপুর স্টেশন ম্যানেজারকে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। ম্যানেজার এস কে চৌধুরী রেলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এই আবেদন পাঠিয়ে দেবার আশ্বাস দেন।

