
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
জোর কদমে চলছে এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় ভোটার সংশোধন এর কাজ। এসআইআর বন্ধ করার লক্ষ্যে তৃণমুল কংগ্রেসের তরফে নানানভাবে চক্রান্ত করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। যা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষমেষ বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয় এসআইআর এর কাজ। তৃণমুল কংগ্রেসের তরফে প্রতিটি বুথ ভিত্তিক বিএলও-২ নিয়োগ করা হয় তথা দলীয় ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরকারি ভাবে নিযুক্ত বিএলও ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা। রিসিভ কপি দিচ্ছে কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলো তদারকি করার জন্য দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এসআইআর এর ফর্ম বিতরণ প্রায় শেষের মুখে। এসআইএর কত ফর্ম বিতরণ হয়েছে এবং কত ফর্ম বিএলও কে জমা দেওয়ার পর রিসিভ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে এদিন বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর খয়রাশোল ব্লকের কেন্দ্রগড়িয়া পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর গ্রামে ও হজরতপুর পঞ্চায়েতের হজরতপুর গ্রামে প্রতিটি বুথের দলীয় বিএলএ-দের জিজ্ঞাসাবাদ করে যাচাই করে শিক্ষকের ভুমিকায় জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল। বুথে মোট ভোটার কত, কত ফর্ম পূরণ হয়েছে, কত বাকি আছে, কেন বাকি আছে, বাকিটা কবে জমা হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে আলোচনা করেন এদিন শিবিরের মধ্যে। এদিন অনুব্রত মন্ডল দলীয় বিএলএ-দের এসআইআর এর কাজে খুশি ব্যক্ত করেন। অনুব্রত মন্ডল বিএলও-দের বলেন আপনারা ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিন এবং রিসিভ করিয়ে নিন। এরপর বৈধ নাম বাদ গেলে হিয়ারিং এ দেখে নেওয়া হবে। রিসিভ কপিটা যেন যত্ন সহকারে রাখে। বাকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখে নেবেন। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। দুটি পঞ্চায়েত এলাকার কর্মসূচি পালনের পর খয়রাসোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে কর্মীদের নিয়েও একপ্রস্থ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের সহায়তা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত সাহা, খয়রাশোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটির সদস্য মৃনালকান্তি ঘোষ, কাঞ্চন দে, উজ্জ্বল হক কাদেরী, শ্যামল কুমার গায়েন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
