
দীপককুমার দাসঃ
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের মির্নাভা নাট্য সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের উদ্যোগে সিউড়ির রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত হলো ৫দিনের নাট্যোৎসব। গত ২৬ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই নাট্যোৎসবে তিনটি জেলার দশটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। হুগলি জেলার ৬টি, পূর্ব বর্ধমান জেলার ২টি ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২টি নাট্যদল তাদের নাটক মঞ্চস্থ করে। ব্যান্ডেল নান্দনিকের জোকার নাটকের মধ্যে দিয়েই নাট্য উৎসবের সূচনা হয়। এছাড়া বাঁশবেড়িয়া মঞ্চ দর্পণ নাট্য সংস্থা চোরেদের লজ্জা হলো, ব্যতিক্রমী নটগ্রামের ইনাম, যৌগিক হুগলির হেমন্ত অরণ্যে সেই পোস্টম্যান, খামারচন্ডী নাট্যপ্রহরী শুখা মাটির শুলিনী, হরিপাল আশ্রমিক সংস্থা অতৃপ্ত অভিলাষ, কাটোয়া কৃষ্টি সংস্থা গোল্লাছুট, ময়না অন্যভাবনা পাকা, আসানশোল কথা ভাষ্য ফেরা ও দোমোহনী বাজার নাট্যসেনা লজিক খুঁজবেন না নাটক মঞ্চস্থ করে। এই পাঁচ দিন নাটক ছাড়াও নাটক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন নাট্যকর্মীরা। রবিবার শেষদিন প্রথম নাটক ফেরা মঞ্চস্থ হবার পর রবীন্দ্র সদন প্রাঙ্গণে মোমবাতি জ্বালিয়ে ও দোলের গানের, লোকগানের সঙ্গে নৃত্য করে শেষ দিনের অনুষ্ঠানকে অন্যমাত্রা যোগ করেন সঙ্গীত শিল্পী, নৃত্য শিল্পী ও নাট্যকর্মীরা। এই পাঁচদিনের নাট্য উৎসবে মঞ্চসফল নাটক দেখতে রবীন্দ্র সদনে ভিড় করেন নাট্যপ্রেমীরা।

