
শম্ভুনাথ সেনঃ
সুচি অনুযায়ী আজ ৬ জানুয়ারি বীরভূমের রামপুরহাটে বিনোদপুরের মাঠে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা থেকে আসার পথে কপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এদিন তিনি ঘন্টা চারেক পর বীরভূমের সভাস্থলে আসেন এবং তা নিয়ে তিনি বিজেপিকে সরাসরি আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা আটকে রাখা সম্ভব নয়। ঝাড়খণ্ড থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করে আমি এখানে পৌঁছেছি।”

এদিন তিনি বীরভূমের মাটি থেকে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ডাক দেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি পরিষ্কার বার্তা দেন যে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে বুথ স্তরে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে। বীরভূমের রামপুরহাটের সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ মূলত ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন এবং বিজেপি-র বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই এই দুটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখেন। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে তিনি অভিযোগ করেন যে, বিজেপি বাংলা ও বাঙালির হকের টাকা আটকে রেখেছে। তিনি বীরভূমের মানুষকে মনে করিয়ে দেন যে, আবাস যোজনা থেকে শুরু করে ১০০ দিনের কাজের টাকা পর্যন্ত রাজ্য সরকারকেই মেটাতে হচ্ছে। তিনি দলীয় কর্মীদের মানুষের দুয়ারে গিয়ে বিনম্রভাবে কথা বলার পরামর্শ দেন।

‘আবার জিতবে বাংলা’ মঞ্চ থেকে এমন শ্লোগানও দেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাজ্য সরকারের সাফল্যের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার জন্য দলীয় কর্মীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। জনসভা শেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের বিধায়ক এবং ব্লক সভাপতিদের নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এদিন বেলা দশটা থেকেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের কোর কমিটির সভাপতি ড. আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল, জেলা সভাধিপতি ফায়জুল হক ওরফে কাজল সেখ, বীরভূম সাংসদ শতাব্দী রায়, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ সহ দলের বিধায়ক এবং নেতৃত্ব। তিনি মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন তারাপীঠের মায়ের মন্দিরে যাবেন এবং রামপুরহাট হাসপাতালে সোনালী খাতুনকে দেখা করবেন।

