
শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের রামপুরহাট বা আহমদপুর থেকে লাভপুর-কীর্ণাহার-কাটোয়া-নবদ্বীপ ধাম-ব্যাণ্ডেল হয়ে সকালে হাওড়া বা শিয়ালদহ যাওয়ার এবং বিকেলে ফেরার একটি সরাসরি ট্রেন চালু করার দাবী দীর্ঘদিনের। আমোদপুর-কাটোয়া রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বীরভূমের কীর্ণাহার স্টেশনে এই দাবীতে অনশন শুরু করে। কিন্তু সেই আন্দোলন বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি প্রশাসন। রেল পুলিশ (GRP) এবং রাজ্য পুলিশের (WBP) চাপে দুপুরে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন আন্দোলনকারীরা।
সংগঠনের সদস্য সুবীর সেন, রাহুল মণ্ডলরা জানান, “আমরা ২০২১ সাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে এই দাবি জানিয়ে আসছি। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও রেলমন্ত্রীর দপ্তরে বারবার চিঠি দিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আমরা অনশনের পথ বেছে নিয়েছিলাম।”
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সকালের দিকে রেল পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও, বেলা বাড়ার সাথে সাথে ‘উপরতলার নির্দেশ’ মোতাবেক অনশন বন্ধ করার চাপ সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয় পুলিশ ও জিআরপি আধিকারিকরা জানান দীর্ঘক্ষণ স্টেশনে বসে থাকতে পারবেন না।” শেষ পর্যন্ত স্টেশনমাস্টার কে দাবি সনদ জমা দেওয়ার পর দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনশন তুলে নিতে বাধ্য হন তাঁরা। উল্লেখ্য, সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের গণতান্ত্রিক লড়াই থামবে না এবং পরবর্তীতে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে চলেছে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন।
