
শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের তন্ত্রক্ষেত্র তারাপীঠ থেকে আজ ২ মার্চ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা হল। উদ্বোধক রূপে উপস্থিত মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী, বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। উল্লেখ্য আসন্ন নির্বাচনকে সামনে বিজেপি মোট ন’টি পরিবর্তন যাত্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পথে “রথ” পরিক্রমা করবে বলে আগেই দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। গতকালই ১ মার্চ ৪টি পরিবর্তন যাত্রা সূচনা হয়। বীরভূম সহ সারা রাজ্য জুড়ে আজ ২ মার্চ ৪ টি পরিবর্তন যাত্রা সূচনা হলো। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রচারে ব্যাপক জোর দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি ৷ তাই সর্বভারতীয় বিজেপির তরফে রাজ্যজুড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এদিন বীরভূমের তারাপীঠ থেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ “পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেন। প্রথমেই তারাপীঠের মাতারার মন্দিরে পুজো দেন তিনি। পুজো দিয়ে তারাপীঠের তারাপুর মাঠে জনসভা করেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। উল্লেখ্য, তাঁর বীরভূম সফর এই প্রথম।

তিনি বক্তব্যে বলেন, “আগে ভারতের আর্থিক রাজধানী ছিল কলকাতা। কিন্তু এখন বাংলা দেশের মধ্যে পিছিয়ে পড়েছে। ভারতের আর্থিক রাজধানী এখন মুম্বাই হয়ে গিয়েছে। বাংলার আর্থিক অবস্থা তলানিতে ঠেকেছে। শিল্পপতিরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলায় লগ্নি করতে ভয় পান। সেই জন্য এখানে এত বেকারত্ব বেড়েছে ৷ আগে বিদেশি লগ্নি বেশি আসতো বাংলায়, এখন আসে মহারাষ্ট্রে।”
অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “আদিবাসীদের জন্য স্কুলে শিক্ষক পর্যন্ত নেই ৷ অথচ মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দ করেছেন প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। হাজার হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই ৷ এই সরকার দুর্নীতিবাজ সরকার। শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সব ক্ষেত্রেই পিছিয়ে গেছে। প্রাণ দিয়ে লড়তে হবে ৷ এবার নির্বাচন জিততেই হবে বলে দলীয় কর্মী সমর্থকদের আহ্বান জানান।

