
শম্ভুনাথ সেনঃ
বাঙালি সংস্কৃতিতে দোল এবং শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসবের এক অদ্ভুত মেলবন্ধন আছে। এই ফাগুনেই প্রকৃতি সেজেছে শিমুল পলাশের রক্তিম আভায়। সেই রংয়ের ছোঁয়া লাগুক আমাদের সবার মনে সেই ভাবনা নিয়েই কবিগুরুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে আজ ৬ ফেব্রুয়ারি উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হল “বসন্ত বন্দনা”। এদিন সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আবহ। সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করে নেন বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। গৌর প্রাঙ্গণে তাদের নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিশ্বভারতীর উপাচার্য ডঃ প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, বসন্ত বন্দনা শুধু ঋতুর উৎসব নয়, এটি চেতনা, সৌন্দর্য ও রঙের এক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি দর্শকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, “প্রায় ১০০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে নাটক পরিবেশন করেছিলেন, সেটি আজ সন্ধ্যা সাতটায় সকল দর্শকের জন্য মঞ্চস্থ করা হবে”। এখানে রং না খেলার কারণ হিসেবে জানান, বিশ্বভারতী যেহেতু ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকাভুক্ত, তাই ২০২৩ সাল থেকে এখানে রং খেলার আয়োজন করা হয়নি। ঐতিহ্য পাওয়ার সঙ্গে ঐতিহ্য রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

