বীরভূমের দুবরাজপুর পৌরসভার এক ও দুই নম্বর ওয়ার্ডের পানীয় জল প্রকল্পের সূচনা হলো

শম্ভুনাথ সেনঃ

বীরভূমের দুবরাজপুর পুরশহরের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষজনদের পানীয় জলের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে চলেছে। দুবরাজপুর শহরবাসীর দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে এক বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। AMRUT 2.0 (Atal Mission for Rejuvenation and Urban Transformation) প্রকল্পের অধীনে শহরের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠিত হয়। গত ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি দুবরাজপুর পৌরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ভূমি পূজন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দুবরাজপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে। সঙ্গে ছিলেন উপ-পৌরপ্রধান মির্জা সৌকত আলি, স্থানীয় কাউন্সিলর বনমালী ঘোষ, বুলটি চক্রবর্তী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মানিক মুখার্জি, সাগর কুন্ডু সহ পৌরসভার বিশিষ্ট মানুষজন। ভূমি পূজন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, নারকেল ফাটিয়ে এবং ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করা হয়।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুবরাজপুর শহরের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক হাজার পরিবার উপকৃত হবেন। প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে বাড়ি বাড়ি সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে যাবে। এই প্রকল্পের জন্য ৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে পুরপ্রধান জানিয়েছেন। প্রকল্পে ভীমগড়ের রতনপুর এলাকা থেকে পাইপ লাইনের সাহায্যে পানীয় জল আনা হবে। রঞ্জনবাজার স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিজয়কৃষ্ণ আশ্রমের কাছেই নির্মিত হবে জলের রিজার্ভার। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পৌরপ্রধান বলেন, খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পানীয় জলের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বলে তিনি জানান। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার খবরে ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “গরমে জলের খুব সমস্যা হয়, এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে জল আসবে শুনে আমরা খুবই আশাবাদী।” পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য জল সরবরাহ চালু করে দেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *