
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
লোকপুর থানার আদিবাসী অধ্যুষিত কয়রাবুনি গ্রামের দুই সন্তান সহ পিতার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় কয়রাবুনি গ্রামের লক্ষণ মুর্মুর স্ত্রী চম্পা মুর্ম মানসিক রোগী ছিলেন। সেই অবস্থায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ দিন আগে নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির লোকজন বহু খোঁজাখুঁজি করার পরেও সন্ধান করতে পারেনি। একসপ্তাহ আগে লক্ষন মুর্মু (৪৫)তার ৮ থেকে ১০ বছরের পুত্র সুরজ মুর্মু ও দুই থেকে তিন বছরের কন্যা মুরুলিলাকে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। যদিও সেদিন সকালে গ্রামের লোকজন সাইকেল সহ তিনজনকে একসঙ্গে শেষ দেখতে পায় গ্রামে এবং দাঁতন করতে যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পড়ে। এরপর শুক্রবার বিকেলে লোকপুর থানার পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্যের বাগডহরী থানা এলাকায় পলাশবুনি জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত একটি মাঠ কুয়োয় তিনজনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন বাগডহরী থানায় খবর দেয়। বাগডহরী থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার জামতাড়া হাসপাতালে পাঠানো হয়।বাগডহরী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় মৃতদেহ সনাক্ত করা গেছে। সেটা লোকপুর থানার কয়রাবুনি গ্রামের এক পরিবারের তিন সদস্য। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যা হতে পারে। বাগডহরী থানার পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেন বলে জানা গেছে।
