
শম্ভুনাথ সেনঃ
১৫ মার্চ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই বীরভূমের রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে এবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই গেরুয়া শিবিরে এখন উৎসবের মেজাজ। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে দুবরাজপুর কেন্দ্রে অনুপ কুমার সাহা, সিউড়িতে জগন্নাথ চ্যাটার্জী, বোলপুরে আইনজীবি দিলীপ কুমার ঘোষ, নানুরে খোকন দাস, ময়ূরেশ্বরে দুধকুমার মণ্ডল, হাসন কেন্দ্রে নিখিল ব্যানার্জী এই ৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতেই প্রচার শুরু করে দিল বিজেপি। আর এই তালিকার সবচেয়ে চর্চিত নাম অনুপ কুমার সাহা।
গত নির্বাচনে বীরভূম জেলায় বিজেপির একমাত্র জয়ী প্রার্থী ছিলেন অনুপবাবু। সেই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে দল আবারও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছে। টিকিট পাওয়ার পর এদিন সকালেই তিনি পৌঁছে যান দুবরাজপুর ব্লকের ঐতিহ্যবাহী “লোবা” মায়ের কালী মন্দিরে। সেখানে নিষ্ঠাভরে পুজো দিয়ে এবং দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করেন তিনি।

এবার জনসংযোগে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি শিবির। হাসনের বিজেপি প্রার্থী নিখিল ব্যানার্জি ও মা তারার পুজো দেন।
সিউড়ির প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সাইকেল রেলী করেন। আজ ১৭ মার্চ সকালেই পুজো দিতে বেরিয়ে পড়েন সিউড়ি চৈতালি মোড়ের হনুমান মন্দির, জেলখানা সন্নিকট সংকোচন মন্দির এবং সুভাষপল্লীর বজরং বলী মন্দিরে। এদিন অনুপ কুমার সাহা লোবা মায়ের কালীমন্দিরে পুজো শেষে দলীয় কর্মীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মাঝে জনসংযোগ সারেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান– গত পাঁচ বছর তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের পাশে ছিলেন।

কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলিই তাঁর জয়ের প্রধান হাতিয়ার। দুবরাজপুরের মানুষ পুনরায় ‘পদ্ম’ ফুটিয়ে তাঁর ওপর আস্থা রাখবেন বলে তিনি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। লোবার কালী মন্দিরে পুজোর মাধ্যমে শুরু হওয়া এই পদযাত্রা বীরভূমের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। গতবারের বিজয়ী প্রার্থীকে পুনরায় প্রার্থী হিসেবে পেয়ে দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকার কর্মী-সমর্থকদের উদ্দীপনা এখন তুঙ্গে।





