
শম্ভুনাথ সেনঃ
বীরভূমের হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক সমীকরণ স্পষ্ট করে দিলেন জেলা সভাধিপতি তথা তৃণমূল প্রার্থী ফায়েজুল হক ওরফে কাজল সেখ। আজ ১৯ মার্চ রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লক কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন তিনি। সেখানে তাঁকে ব্লক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
ব্লক সভাপতি সুকুমার নমুখার্জিকে ‘দাদা’ সম্বোধন করে কাজল সেখ জানান, হাসন বিধানসভা এতদিন যেভাবে সুকুমার বাবু সামলেছেন, আগামী দিনেও তাঁর নেতৃত্বেই চলবে। কাজল সেখ নিজেকে কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একজন ‘সৈনিক’ ও ‘নামমাত্র প্রার্থী’ হিসেবে অভিহিত করেন। কাজল সেখের স্পষ্ট দাবি, “এখানে প্রার্থী কোনো ম্যাটার নয়, ২৯৪টি বুথেই প্রার্থী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” উন্নয়নের নিরিখেই মানুষ ভোট দেবেন বলে তিনি আশাবাদী। সুকুমার মুখার্জি প্রত্যয়ী সুরে জানান, রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ মার্জিনে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া (অ্যাডজুডিকেশন) নিয়ে কাজল সেখ জানান, তিনি বিন্দুমাত্র ভীত নন। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। “আমি এই বিধানসভার ভূমিপুত্র না হলেও মানুষের ভালোবাসা সাথে আছে। ঈদের পরেই পূর্ণশক্তিতে প্রচারের ময়দানে নামব বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, বীরভূম জেলা সভাধিপতি ফায়েজুল হক ওরফে কাজল সেখের প্রার্থী হওয়া হাসন বিধানসভায় নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। সুকুমার মুখার্জির সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কাজল সেখের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এই কেন্দ্র থেকে রেকর্ড জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস।
