
শম্ভুনাথ সেনঃ
বিধানসভার নির্ঘন্ট প্রকাশ হতেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এখন উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। প্রথম দফায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর, ১৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় আরও ১১১ জনের নাম প্রকাশ করেছে বিজেপি। এর ফলে রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২৫৫টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হলো, বাকি রইল ৩৯টি আসন। তবে বীরভূম জেলাকে কেন্দ্র করে গেরুয়া শিবিরের রণকৌশল এখন বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রে। জেলায় মোট ১১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফার তালিকায় আরও ৩ জন প্রার্থীর নাম যুক্ত হলো। রামপুরহাট আসনে বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। অন্যদিকে লাভপুর বিধানসভায় অভিজ্ঞ নেতা দেবাশীষ ওঝা এবং মুরারইতে মহিলা নেত্রী রিঙ্কি ঘোষ। এর ফলে বীরভূমের ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতে প্রার্থীর নাম স্পষ্ট হয়ে গেল।

তবে সাঁইথিয়া এবং নলহাটি—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপি কাদের ওপর ভরসা রাখবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। রামপুরহাট কেন্দ্রে প্রাক্তন জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার নাম ঘোষিত হতেই কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। গতকাল নাম ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় দেওয়াল লিখন শুরু করে দেন বিজেপি কর্মীরা। ২০ মার্চ, সকালেই তিনি তারাপীঠ মন্দিরে মা তারার পুজো দিয়ে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এরপরই পুরোদমে নেমে পড়েন জনসংযোগে। সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের মধ্য দিয়েই তিনি তাঁর নির্বাচনী যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিলেন। অন্যদিকে, লাভপুরের দেবাশীষ ওঝা এবং মুরারইয়ের রিঙ্কি ঘোষও তাঁদের এলাকায় রণকৌশল সাজাতে শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে বীরভূমের লাল মাটিতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে পদ্মশিবির। এখন নজর শুধু বাকি থাকা দুই আসনের দিকে।

