মুখ্যমন্ত্রীর সভা উপলক্ষে দলীয় কর্মীদের নিয়ে আলোচনা ও সভাস্থল পরিদর্শনে অনুব্রত মণ্ডল, খয়রাসোলে

সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে পাড়া বৈঠক, জনসংযোগ ইত্যাদি কর্মসূচিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। পাশাপাশি এবার বড়সড় জনসভা পর্বের দিকে এগোচ্ছে কর্মসূচি। দলীয় প্রার্থীদের জেতানোর লক্ষ্যে হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীদের জনসভায় আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সেরূপ বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নরেশ চন্দ্র বাউরির সমর্থনে জনসভা করতে আগামী ২৬ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন খয়রাসোল গোষ্টডাঙ্গাল মাঠে। সেই প্রেক্ষিতে ২২ মার্চ পুলিশ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বদের নিয়ে খয়রাসোল সভাস্থল সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভায় মিলিত হন। পরদিন ২৩ মার্চ সকালে ফের এক দফায় পুলিশ প্রশাসনের লোকজন সহ বিভিন্ন আধিকারিকগন সভাস্থল সরজমিনে পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি হ্যালিপ্যাড নামার স্থান ঠিক করে ট্রায়াল রান করা হয়। সেই সাথে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায়। এদিন বিকেলে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল খয়রাসোল ব্লক ও দুবরাজপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বদের নিয়ে খয়রাসোল দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান আজকের আলোচনা মূলতঃ জনসভায় লোকজন আনার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়। এক প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত মণ্ডল বলেন মুখ্যমন্ত্রীর সভায় দেড় থেকে দুই লাখ লোক সমাগম হবে। জেলার বুকে ১১ টি আসনের মধ্যে একমাত্র হাতছাড়া দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্র পুনরুদ্ধার করা। যদিও এই কেন্দ্রটি পুনরুদ্ধারের ব্যপারে একশো শতাংশ আশাবাদী। তৃণমূল কংগ্রেসের এই কেন্দ্রের প্রার্থী নরেশ চন্দ্র বাউরি অনুপস্থিত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানান তিনি আজকে তারাপীঠে পুজো দিচ্ছেন দেখলাম। এটা তার নির্বাচনী এলাকা অতএব তাকে তো আসতেই হবে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী এরূপ কর্মসূচির মধ্যে অনুপস্থিত থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *