বীরভূমের সিউড়িতে “ইয়ং নাট্য সংস্থা’র” বর্ণাঢ্য আয়োজনে “বিশ্বনাট্য দিবস” উদযাপন

শম্ভুনাথ সেনঃ

বীরভূমের সদর সিউড়ির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অন্যতম উজ্জ্বল নাম “ইয়ং নাট্য সংস্থা”। বিগত ১৮ বছর ধরে সংস্থাটি স্থানীয় সকল নাট্যদলকে ঐক্যবদ্ধ করে অত্যন্ত উদ্দীপনার সাথে বিশ্বনাট্য দিবস উদযাপন করে আসছে। এ বছর ২৭ মার্চ, সিউড়ি জোনাকি ক্লাব ও রক্ষাকালী ক্লাবের সক্রিয় সহযোগিতায় জোনাকি রঙ্গমঞ্চে এই উৎসবের আসর বসে। এদিন বিকেল পাঁচটায় উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব রজকুমার সাহা, সুবিনয় দাস, সন্দীপ রুজ সহ অন্যান্য নাট্যব্যক্তিত্ব গুণীজন। প্রদীপ প্রজ্বলনের পর সঞ্চালক সুশান্ত রাহা বিশ্বনাট্য দিবসের ইতিহাস ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। সংগীত পরিবেশন করেন বিমল কুমার সোম।

এদিন নাটকের ১৩ জন নেপথ্য শিল্পীকে ‘স্বর্গীয় শ্যামল মণ্ডল স্মৃতি স্মারক’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এরপরের সেমিনারে ‘থিয়েটারে লোকশিল্পের উপাদান ও ভূমিকা’ বিষয়ে মনোজ্ঞ বক্তব্য রাখেন ডঃ আদিত্য মুখোপাধ্যায়। এবছর পুরো উৎসবটি প্রয়াত তপন নারায়ণ রায়চৌধুরী ও সদ্য প্রয়াত বিজয় কুমার দাসের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন ইয়ং নাট্য সংস্থার কর্ণধার নির্মল হাজরা। নাট্য পর্বে অংশ নেয়— এখনই (একটি অন্যমনস্ক চোর), সিউড়ি প্রেরণা (নতুন ভোর), ঐকতান সিউড়ি (বৃদ্ধাশ্রম), লাভপুর দিশারী (ডাইনি), সিউড়ি রুদ্রবীণা (বিস্ফোরণ), সাঁইথিয়া অ্যাম্পি থিয়েটারওয়ালা (ম্যায় নরক সে বোল রাহা হুঁ) এবং আয়োজক সিউড়ি ইয়ং নাট্য সংস্থা (ফিনিক্স নিরন্তর)। ভিন্ন স্বাদের এই নাটকগুলো উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিটি দলের নির্দেশকের হাতে তুলে দেওয়া হয় উৎসব স্মারক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সুশান্ত রাহা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *