
শম্ভুনাথ সেনঃ
সামান্য একটি মোবাইল ফোনের জেদ যে অকালে ঝরিয়ে দেবে একটি তরতাজা প্রাণ, তা কল্পনাও করতে পারেনি বীরভূমের লাভপুর থানার শাহ আলমপুর গ্রাম। মৃত কিশোরের নাম চন্দন দাস (১৮)। সে কুনেরিয়া এস এন হাই স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। পারিবারিক সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই একটি নতুন মোবাইল ফোনের জন্য বাবা-মায়ের কাছে আবদার করছিল চন্দন। গতকাল ৩০ মার্চ ঝড়-বৃষ্টির কারণে তার বাবা দয়াময় দাস পরের দিন ফোনটি কিনে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু সেই সামান্য অপেক্ষাটুকু সহ্য করতে পারেনি চন্দন। অভিমানে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ফিরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লাভপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
