
শম্ভুনাথ সেনঃ
ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত বীরভূম। অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলের দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ এবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল। গত ৩ এপ্রিল, শুক্রবার মুরারইয়ের দলীয় কার্যালয়ে সাংসদ শতাব্দী রায়ের উপস্থিতিতেই চরমে ওঠে গোষ্ঠী কোন্দল। যা গড়ায় শেষপর্যন্ত হাতাহাতিতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মাঝপথেই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান সাংসদ শতাব্দী রায়। মুরারই বিধানসভায় বিদায়ী বিধায়ক ডাঃ মোশারফ হোসেনকে পুনরায় প্রার্থী করায় দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। তাঁদের পছন্দের দাবিদার ছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়কের পুত্র সঞ্জিবুর রহমান ওরফে বাপ্পাকে। অন্যদিকে স্থানীয় এক পাথর ব্যবসায়ী আলি খান ও প্রার্থী হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছিলেন। এদিনের বৈঠকে সেই আলি খান তিন পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর বহিষ্কার দাবি করলে ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষের সঙ্গে বচসা বাধে। বিনয়বাবুর অভিযোগ, মোশারফ হোসেন দলকে এড়িয়ে আলি খানের বাড়িতে সমান্তরাল নির্বাচনী কার্যালয় খুলেছেন। পাল্টা যুক্তিতে আলি খান জানান, সেটি থাকার ঘর মাত্র। শতাব্দী রায় বৈঠক ছাড়তেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও ব্লক নেতৃত্বের দাবি, ভুল বোঝাবুঝি মিটে গিয়েছে। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে বীরভূমে এই কোন্দল ঘাসফুল শিবিরের অস্বস্তি যে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।
