
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
আগামী ২৩ এপ্রিল বীরভূমে প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। যারপরনাই সমস্ত রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে ব্যাপক হারে প্রচার কর্মসূচি। দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই তাপ উত্তাপ বেড়ে চলেছে। প্রখর রৌদ্র মাথায় নিয়ে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে জেলার বুকে মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত নির্বাচনী সভা করে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে জেলার বুকে দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে খয়রাসোল গোষ্ঠ ডাঙাল মাঠে মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে জনমানসে কৌতুহল বাড়ছে। বীরভূমের ১১ টি আসনের মধ্যে একমাত্র দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি তৃণমূল কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়ে বিজেপির দখলে যায়। সেটা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সভা। অন্যদিকে বিজেপিও আসনটি দখলে রাখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এনে পাল্টা সভা করে যায় ১৩ এপ্রিল সোমবার। পাশাপাশি এদিনেই দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নরেশ চন্দ্র বাউরীকে জেতানোর লক্ষ্যে খয়রাশোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে ব্লক পরিচালন কমিটি, সকল অঞ্চল সভাপতি, বুথ সভাপতি সহ শাখা সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ। উল্লেখ্য দীর্ঘ আড়াই বছর পর খয়রাশোলের বুকে সভাধিপতি দলীয় কর্মসূচিতে মিলিত হলেন।
ফায়েজুল হক ওরফে কাজল সেখ এক সাক্ষাৎকারে বলেন বীরভূম জেলার ১১টি আসনেই তৃণমুল কংগ্রেস জিতবে।মমতা বন্দোপাধ্যায় যেভাবে উন্নয়ন করেছেন হারার প্রশ্নই ওঠে না। ২৯৪ টি আসনেই স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী, সেই হিসেবে ভোট হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এতগুলো জনমুখী প্রকল্প। সারা বছর মানুষের পাশে থাকা। অতএব বিধানসভা ভোট গণনার দিন দেখবেন জেলার ১১ টি আসনে জোড়া ফুল ফুটবে, বিরোধীরা চোখে সর্ষেফুল দেখবে। হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে পায়ে হেঁটে জনসংযোগ করেছি দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে। বাকি আসনগুলোতেও সাংগঠনিক প্রচার কর্মসূচি কিরূপ চলছে সেসমস্ত বিষয়ে খবরাখবর নেওয়া এবং ব্লক অঞ্চল সহ বুথ স্তরের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করা। এই প্রেক্ষিতে প্রতি কেন্দ্রে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যাহা আজকে খয়রাসোল ব্লক থেকে শুরু করা হয়। এদিন আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন দুবরাজপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নরেশ চন্দ্র বাউরী, খয়রাশোল ব্লক কোর কমিটির সদস্য মৃনালকান্তি ঘোষ, উজ্জ্বল হক কাদেরী, শ্যামল কুমার গায়েন, কাঞ্চন দে, জেলা পরিষদ সদস্যা কামেলা বিবি সহ দশটি অঞ্চলের সভাপতি এবং বুথ সভাপতিরা।

