কংগ্রেস বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে আমরা বাঁচবো – কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় ব্যাপারী

সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের সমর্থনে হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীদের দিয়ে জনসভা। বাদ্যযন্ত্র সহযোগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে মিছিল,ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ইত্যাদি নিয়ে গ্রাম পরিক্রমার মাধ্যমে জনসংযোগ করতে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী সঞ্জয় ব্যাপারীর প্রচার কর্মসূচিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র লক্ষনীয়। ছোট হাতি গাড়ির মধ্যে মাইক সেটিং, ফ্লাক্স টাঙানো, দলীয় পতাকা সঙ্গে জনা কয়েক দলীয় কর্মীরা।লোক সমাগম কম হলেও মানসিক ভাবে লড়াইয়ে প্রস্তুত। এক সপ্তাহ আগে থেকে দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় শুরু হয়েছে প্রচার। সেরূপ শুক্রবার খয়রাসোল ব্লকের লোকপুর,রুপুষপুর ও নাকড়াকোন্দা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে হেঁটে হেঁটে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় ব্যাপারী। ছায়াসঙ্গী হিসেবে প্রার্থীর পাশে রয়েছেন খয়রাসোল ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাকির হোসেন খান এবং কাজী আনিসুর রহমান (বাবলু)। একান্ত সাক্ষাৎকারে কথোপকথনে তিনি বলেন – সকাল থেকে একটানা রাত্রি ব্যাপী প্রতিদিন প্রচার কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুটি পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করা সম্ভব হয়নি। প্রার্থী সহ সঙ্গে থাকা দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা। অনুন্নয়ন, সাম্প্রদায়িকতা,অব্যবস্থা কে হাতিয়ার করে প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমান রাজ্যের সরকার তাঁরাও ধর্মীয় বিষয়ে মেরুকরণ করে। বিপরীত পক্ষ তথা বিরোধী দল তারা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা কতটা ধর্মীয় উন্মাদনা নিয়ে কাজ করে। আমাদের লড়াই জাতপাত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে ধর্মের উর্ধ্বে উঠে ভারতকে তথা দেশকে গঠন করা। দেশ বাঁচলে আমরা সবাই বাঁচবো।এস আই আর সম্পর্কে বলেন এতবড় একটি প্রক্রিয়া কিন্তু এত তাড়াতাড়ি করা ঠিক হয়নি।যার প্রেক্ষিতে বহু মানুষ কষ্ট ভোগ করছে। নাম বিচারাধীন রয়েছে, বাতিল হচ্ছে। যারা স্থায়ী বাসিন্দা এবং ভারতের নাগরিক। এটা নিয়ে দীর্ঘ পরিকল্পনা এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। অত এব সময় নিয়ে করা দরকার ছিল।যাহা খুব তড়িঘড়ি করে করার ফলে আজকে বহু মানুষের মধ্যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমরা একটাই কথা বলবো কংগ্রেস বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে আমরা সকলেই বাঁচবো।দুবরাজপুর শহর সহ বিভিন্ন স্থানে দেখলাম ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খুবই শোচনীয়। পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে ও কোনো সমাধান করতে পারে না এই হচ্ছে তৃণমূল এবং বিজেপির শাসন ব্যবস্থা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *