
শম্ভুনাথ সেনঃ
শান্তিনিকেতনের মধুসূদনপুর মৌজার বল্লভপুরডাঙায় সরকারি খাস জমিতে জেলা পরিষদের টাকায় গড়ে উঠেছিল একটি বৃদ্ধাশ্রম। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, সেই সরকারি সম্পত্তিই এখন ভোল বদলে ‘সঞ্চারী’ নামে এক বিলাসবহুল রিসর্টে পরিণত হয়েছে। সুইমিং পুল, এসি রুম ও বিশাল গেট সংবলিত এই রিসর্ট থেকে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা আয় হলেও, তা সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে না।
এই নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বীরভূম জেলা পরিষদের বর্তমান সভাধিপতি তথা বিধায়ক ফায়েজুল হক ওরফে কাজল সেখ। তাঁর দাবি, তৎকালীন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান নিয়ম বহির্ভূতভাবে জমিটি ইজারা দিয়েছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল সেখের পুরোনো রাজনৈতিক বিবাদ নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে, কারণ অভিযুক্ত বিকাশ রায়চৌধুরী অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।
যদিও বর্তমান জেলা প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। অন্যদিকে, রিসর্টের কর্ণধার রবীন্দ্রনাথ রায়ের দাবি, তিনি নিয়ম মেনেই সরকারিভাবে এই জায়গাটি নিয়েছেন।
