
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপের অবসান। বলা ভালো রাজ্যে তৃণমূল পরিচালিত সরকারের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা হতেই একমাসের মধ্যে ফের ১০০ দিনের কাজ তথা মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গেল।১০ ই জুন খয়রাসোল ব্লকের লোকপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ লোকপুর নীচে পাড়া ঠান্ডেরে পুকুরে কাজের শুভসূচনা করেন দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। স্থানীয় পুকুর পাড়ে মঞ্চের মধ্যে বিধায়ক সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তরের সরকারি প্রতিনিধি এবং সমাজসেবীদের উত্তরীয় ও পুষ্পস্তবক দিয়ে বরন করে নেন স্থানীয় গ্রামের লোকজন।

বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের যে সমস্ত স্কীমগুলো রয়েছে সেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এবিষয়ে পঞ্চায়েতকে সচেষ্ট হতে হবে। এতদিন যে কাজ বন্ধ ছিল তাহা আজ থেকে আবার শুরু হয়েছে যা ১০০দিন থেকে বেড়ে ১২৫ দিন হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় মানুষের কর্মসংস্থান তথা আয় বৃদ্ধি পাবে, এলাকায় সম্পদ তৈরি হবে। এসমস্ত কাজ সঠিকভাবে যেন হয় সেবিষয়ে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বিস্তারিত বিবরণ দেন। বিধায়ক ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তাপস দাস, পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট সুজিত কুমার পাল, সেক্রেটারি চন্দন সৌ মন্ডল, সমাজসেবী অনুপম বাগ, সুকুমার নন্দী সহ পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধি বৃন্দ।১০০ দিনের কাজ শুরু হওয়া এবং পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় গৃহবধূ বিছুই বাউরি সহ অন্যান্যরা ও খুশি ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি স্থানীয় পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট সুজিত কুমার পাল তিনিও এক সাক্ষাৎকারে বলেন খয়রাসোল ব্লকের মধ্যে প্রথম লোকপুর পঞ্চায়েত এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় মানুষের কর্মদিবস তৈরি হবে। সর্বপরি এলাকায় স্থায়ী সম্পদ তৈরির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বৃদ্ধি পাবে।
