
শম্ভুনাথ সেনঃ
১৬টি ওয়ার্ডের সবকটিতেই ছিল তৃণমূল শাসকদলের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু সেই সাজানো বোর্ডই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নজিরবিহীন গণ-পদত্যাগের জেরে। পৌরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে সহ তৃণমূল কংগ্রেসের ১২ জন কাউন্সিলরের দফায় দফায় ইস্তফায় চরম প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুর পৌরসভায়।
বোর্ড টিকিয়ে রাখতে যেখানে ন্যূনতম ৯ জন কাউন্সিলরের সমর্থন প্রয়োজন, সেখানে এই গণ-ইস্তফার পর শাসকদল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। প্রথম দফায় ৩ জন ও দ্বিতীয় দফায় ৯ জনের এই নাটকীয় পদত্যাগের নেপথ্যে রয়েছে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদল ও দলবদলের হাওয়া। স্বাভাবিক মেয়াদের আরও ৬ মাস বাকি থাকতেই এই সংকটে থমকে যাওয়ার উপক্রম হয় পুরসভার স্বাভাবিক কাজকর্ম।
জল সরবরাহ, সাফাই ও শংসাপত্র প্রদানের মতো জরুরি নাগরিক পরিষেবাগুলি যাতে সম্পূর্ণ স্তব্ধ না হয়ে যায়, তার জন্য তড়িঘড়ি হস্তক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে বীরভূমের সদর সিউড়ির একাধিক শৈল্যশিখর সরকারকে পুরসভার নতুন প্রশাসক পদে নিয়োগ করা হয়েছে। আপাতত নতুন নির্বাচন বা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই প্রশাসকের তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হবে দুবরাজপুরের সমস্ত পুর-পরিষেবা।
