
সেখ রিয়াজুদ্দিনঃ
সদ্য বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে ক্ষমতার দখল নেই বিরোধীদল বিজেপি। ক্ষমতার পালাবদল ঘটতেই তৃণমূল কংগ্রেস অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। ভোটের ফলাফলের পর থেকেই তৃণমূল নীচু স্তরের দলীয় কর্মীদের পাশে থাকা কিম্বা খোঁজ খবর নেওয়া থেকে বহু যোজন দূরে সরে যাচ্ছে। প্রতিবাদ আন্দোলন সহ দলীয় কর্মসূচি করতেও ব্যর্থ হয়ে পড়ে তৃণমূল। এমনকি দলীয় কার্যালয় পর্যন্ত বন্ধ। অন্যদিকে ২০২১ ভোট পরবর্তী হিংসা সহ দূর্নীতির অভিযোগে তৃণমূল নেতাদের ধরপাকড় অব্যাহত। এছাড়াও সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের দলের প্রতি বিদ্রোহ। এমনকি দলের মধ্যে ভাঙন দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠী তৈরি। সেই ছোঁয়া সাংসদদের মধ্যে ও দেখা যায়। এই সমস্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের নীচু স্তরের দলীয় কর্মীদের মধ্যে দলের প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মে এবং অন্যান্য দলে যোগদানের প্রবনতা বাড়ছে। বিশেষ করে জাতীয় কংগ্রেস ও সিপিআইএম দলে যোগদানের খবর পাওয়া গেছে। সেরূপ রবিবার দুবরাজপুর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কয়থানপুর গ্রামের ১৫০ পরিবার তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএম দলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশ্যে যোগদান করেন। নবাগতদের হাতে লাল ঝান্ডা তথা সিপিআইএম এর দলীয় পতাকা তুলে দেন সিপিআইএম বক্রেশ্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সুপ্রীয় ভট্টাচার্য।
